ময়মনসিংহে অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম ও ২ হাজার দুইশটি সিমসহ আটক ব্যক্তিরা সবাই একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। একটি আঙুলের ছাপ দিয়ে তারা ২০টি করে সিম নিবন্ধন করেছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম।
তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে আটককৃতদের মধ্যে হুমায়ুন কবীর গতবছর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার সর্বোচ্চ রেমিটেন্স গ্রহণকারীর পুরস্কার লাভ করেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তবে ইসলামি ব্যাংক এ ব্যাপারে কোনও কিছু নিশ্চিত করেননি। ব্যাংকের কেউ এ বিষয়ে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতেও রাজি হননি।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ শহরের সানকিপাড়া এলাকায় সৌদি প্রবাসী সুরুজ আলীর বাসায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ তিন ভিআইওপি ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। জব্দ করা হয় ভিআইওপি সরঞ্জাম, মোবাইল, সিপিইউ ও মনিটর।
আকট ব্যক্তিরা হলেন- জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার দিগপাইত গ্রামের জামাল আকন্দের ছেলে হুমায়ুন কবীর, বাকুরচর গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে রুহুল আমীন এবং টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার কর্ণ দক্ষিণপাড়া গ্রামের আবদুস ছাত্তারের ছেলে জাহেদুল ইসলাম। তারা একবছর ধরে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি দোকানে জাতীয় পরিচয়পত্র ও আঙুলের ছাপ জালিয়াতি করে সিম বিক্রির তথ্য পাওয়ার পর অভিযান শুরুর কথা জানিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ও পুলিশ।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনে বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ জব্দ
/এমও/এআর/