জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সাইদ জানান, শনিবার বিকাল ৩টায় যমুনার পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপরে এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১৪ দশমিক ৪৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার পাট, কাউন, চিনাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেতে পানি উঠেছে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর উপজেলার প্রায় ১০ হাজার মানুষ। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নদী ভাঙনও।
শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলি ইউনিয়নের দক্ষিণ চিনাডুলি, দেওয়ানপাড়া, ডেবরাইপেচ, বলিয়াদহ, পশ্চিম বামনা, সাপধরী ইউনিয়নের আকন্দ পাড়া, পূর্ব চেঙ্গানিয়া, বেলাগাছা ইউনিয়নের কাছিমারচর, দেলীপাড়, গুঠাইলের শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পার্থশী, নোয়ারপাড়া পলবান্ধা ইউনিয়নের লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাটে এখনও পানি ঢুকেনি তবে রাতে অনেক জায়গায় ঢুকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের অনেক স্থানে পানি ঢুকে গেছে।