অধ্যাপক রেজাউল হত্যা মামলায় গ্রেফতার শিবির নেতার মৃত্যু

রেজাউল হত্যা মামলার আসামি হাফিজুর রহমানরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত শিবির নেতা হাফিজুর রহমান (২১) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে তিনি মারা যান। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

হাফিজুর রহমান রক্ত স্বল্পতাজনিত জন্মগত সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানান রামেকের উপপরিচালক ডা. গাজী সাইফুল আলম চৌধুরী। এই সমস্যার সূত্র ধরেই তার শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা দেখা দেয় ও হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।এর আগে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত ১৭ মে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রামেকের ওয়ার্ড মাস্টার মোশাররফ হোসেন জানান, হাফিজুর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন।

মত্যুর পর হাফিজুরের লাশ রামেক মর্গে রাখা হয়েছে। ময়না তদন্তের পর কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, রাবি শিক্ষক অধ্যাপক রেজাউল হত্যা মামলায় গত ২৩ এপ্রিল রাতে নগরীর ছোট বনগ্রাম এলাকা থেকে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিবির সেক্রেটারি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ছাত্র হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। গত ২৮ এপ্রিল আদালত তাকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে তিনি কারাগারে ছিলেন। ১৭ মে তাকে রামেক হাসপতালে পাঠানোর পর থেকে তিনি হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত ২৩ এপ্রিল রাজশাহীর শালবাগান এলাকায় নিজ বাসা থেকে একটু দূরে অধ্যাপক রেজাউল করিমকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে নিহতের ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ সৌরভ বাদী হয়ে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য ওই দিনই মহানগর ডিবি পুলিশের কাছে স্থানান্তর করা হয়। এই ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জামায়াতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশ বা জেএমবির সদস্যরা সরাসরি জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ।  

আরও পড়ুন- 

সংবাদ সম্মেলনে কী বলবেন সেলিম ওসমান!

/এফএস/