সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান বলেন, গ্রেফতার হওয়া রিয়াজ একজন নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান। বিচারে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলে তার উপযুক্ত বিচার হবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তার জামিন প্রাপ্তিতে এত বাধা কেন। এত আপত্তিই বা কেন?
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল খান, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহম্মেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট অনোয়ার পারভেজ লিমন, আইন বিষয় সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাউসার আহম্মেদ লিটন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাসিমুর রহমান নাসিম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ফারুকসহ জেলা ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, স্বর্ণ চোরাকারবারে অভিযুক্ত জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট ঢাকার উত্তরা থেকে ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। রিয়াজকে গ্রেফতারের পরপরই শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেছিলেন ঢাকা বিমানবন্দরে উদ্ধার করা স্বর্ণের বড় বড় চালানে রিয়াজের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
এছাড়াও, গত ২০১৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের ২৯/১ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর দেড় মনের বেশি স্বর্ণের বার ও ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা মূল্যের সৌদি রিয়াল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ঢাকার পল্টন থেকে গ্রেফতার হওয়া মোহাম্মদ আলী জানিয়েছিলেন উদ্ধার করা এসব স্বর্ণ ও রিয়ালের মালিক সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন।
আরও পড়ুন: উস্কানি ছড়ানো পেজগুলো পর্যবেক্ষণের বাইরে: নির্ঝর মজুমদার
/এমও/টিএন/