‘জামায়াত কর্মী’ হিসেবে আটক শ্রমিক লীগ সদস্য মুক্তি পেলেন

বগুড়াবগুড়ার নন্দীগ্রামে জামায়াত কর্মী হিসেবে আটক জাতীয় শ্রমিক লীগের সদস্য খোরশেদ আলমকে ৯ ঘণ্টা পর থানা হাজত থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ তাকে বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযোগ রয়েছে,পুলিশের সোর্সের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে তাকে জামায়াত সাজিয়ে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয়রা জানান, নন্দীগ্রামের কৈগাড়ী গ্রামের মৃত আমীর আলীর ছেলে খোরশেদ আলম জাতীয় শ্রমিক লীগ নন্দীগ্রাম উপজেলা শাখার সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে পুলিশ তাকে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আটক  করে। এতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
জাতীয় শ্রমিক লীগ নন্দীগ্রাম পৌর শাখার আহ্বায়ক এনামুল হক জানান, খোরশেদ আলম কোনদিন জামায়াত-শিবির করেননি। তাকে পুলিশ জামায়াত হিসেবে আটক  করে অন্যায় করেছে।
এ ব্যাপারে ওসি হাসান শামীম ইকবাল জানান, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে আটক  করা হয়েছে। পরে যাচাই করে দেখা গেছে তিনি শ্রমিক লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ গত ১৩ জুন নন্দীগ্রাম মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ইনসান আলী বাবলুকে আটক করে নাশকতা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করে। পরে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়।

সাধারণ জনগণের অভিযোগ, পুলিশ নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে এভাবে আটক  ও হয়রানি করছে। এতে জনগণের মাঝে পুলিশের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তারা থানা পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য বন্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

/জেবি/এমএসএম/আপ-এনএস/

আরও পড়ুন:
এবার শুধু জঙ্গিদের হিসাব, পঞ্চম দিনে গ্রেফতার ২১
সব আসামির ফাঁসির দাবিতে সর্বোচ্চ আদালতে যাবো