তবে বগুড়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ও অধ্যক্ষ কে বি এম মুসা জানিয়েছেন, তারা কোনও জালিয়াতি করেননি, এটা ডিজি অফিসের পদ্ধতিগত ভুল। শিগগিরই চিঠির জবাব দেওয়া হবে।
এমপিওভুক্তরা হলেন- বগুড়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ও অধ্যক্ষ কে বি এম মুসা, ইসলাম শিক্ষার প্রভাষক এ এন এম নুরুল আমিন, অর্থনীতির প্রভাষক তাহমিনা পারভীন, ইংরেজির আব্দুল্লাহেশ সাফী খান, বাংলার নাসের আালী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সুলতান মাহমুদ, দর্শনের সুদেব চন্দ্র দাসগুপ্ত এবং লাইব্রেরিয়ান নজরুল ইসলাম, জীববিজ্ঞানের প্রদর্শক আব্দুর রব তালুকদার, পদার্থবিজ্ঞানের রবীন্দ্রনাথ বর্মণ, মনোবিজ্ঞানের ফেরদৌস জামান, ভূগোলের লিপি মজুমদার, সাচিবিক বিদ্যা ও অফিস ব্যবস্থাপনার এ টি এম নজরুল ইসলাম এবং কম্পিউটার তথ্য ও প্রযুক্তির সাহানারা বিলকিস, তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী জাহিদুল ইসলাম, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী জিয়াদার রহমান, মমতাজুর রহমান, আবু হাসান, ফিরোজুল ইসলাম ও আব্দুর মান্নান।
এর আগে, গত ৮ আগস্ট মাউশি অধিদফতরের সহকারী পরিচালক হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, বগুড়া কলেজে ডিগ্রিস্তরের কোনও এমপিও কোড নেই। অথচ কলেজে ডিগ্রিস্তরে শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছে। অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে প্রভাষক, পরিদর্শক ও কর্মচারীরা সবাই এমপিওভুক্ত হয়েছেন। তারা কীভাবে এমপিওভুক্ত হয়েছেন, তা ওই নোটিশের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিগ্রিস্তরের এমপিও প্রাপ্তি কেন অবৈধ হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওইসব শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও কেন বাতিল এবং সরকারি কোষাগার থেকে যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে তা কেন ফেরত চাওয়া হবে না তাও সাতদিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
বগুড়া কলেজের অধ্যক্ষ কে বি এম মুসা জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদন্ত করে কলেজে ডিগ্রিস্তরের অনুমতি দিয়েছেন। শুধু কোড নম্বর নেই, যা শিগগিরই পাওয়া যাবে। এই কোডের সমস্যা শুধু তার কলেজে নয়, বগুড়ার মোকামতলা মহিলা কলেজ, নন্দীগ্রাম হাটকড়ই কলেজসহ ৬টি কলেজ এবং সারাদেশে ৩০০ কলেজে রয়েছে। ডিজি অফিসের পদ্ধতিগত ভুলের কারণে তিনিসহ ২০ শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। যথাসময়ে এই নোটিশের সন্তোষজনক জবাব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
/এমও/