অভিযোগ প্রমাণিত হলেও বহাল তবিয়তে সিরাজগঞ্জের সেই ব্যাংক-কর্মকর্তা

অর্থ আত্মসাৎ (প্রতীকী ছবি)
সিরাজগঞ্জে সোনালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ-আত্মসাতের তদন্ত নিয়ে ‘তালবাহানা’ শুরু হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলেও এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আবুল হাশেম শেখ নামের ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তিনি বহাল তবিয়তে বগুড়া প্রিন্সিপাল অফিসে এখনও চাকরি করছেন।

মাস ছয়েক আগে সোনালী ব্যাংকের সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ-ধানগড়া শাখায় ছিলেন আবুল হাশেম। ওই সময় বয়স্কভাতার প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। বিষয়টি ফাঁস হলে অভিযুক্ত আবুল হাসেম চাকরি বাঁচাতে গত মে-জুন মাসে ৫ দফায় সিরাজগঞ্জ সোনালী ব্যাংক কোর্ট ভবন শাখায় সেই টাকা জমা দেন।

অন্যদিকে সোনালী ব্যাংক সিরাজগঞ্জ প্রিন্সিপাল অফিসের ডিজিএম-এর নির্দেশে সহকারি ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আব্দুর রাজ্জাককে প্রধান করে তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটি ২ মাস ধরে তদন্ত করে। তদন্তে আবুল হাশেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এখন অভিযোগ উঠেছে, তাকে রক্ষা করতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে।

সোনালী ব্যাংক সিরাজগঞ্জ প্রিন্সিপাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) রনেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘তদন্ত শুরুর আগেই আবুল হাশেম প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দেয়। তবে জালিয়াতির বিষয়টি তদন্তে ধরা পড়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। তদন্ত প্রতিবেদন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’

আবুল হাশেম বলেন, ‘স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য টাকাটা সময়মতো জমা দিতে পারিনি। তবে পরে তা জমা দিয়েছি।’

উল্লেখ্য, এ নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদের পর রনেন্দ্রনাথ মণ্ডল ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:

সিরাজগঞ্জে জেএমবি’র আত্মঘাতী চার নারী সদস্য আটক

/এআরএল/