দণ্ডপ্রাপ্ত আবু হানিফ প্রামানিক (২৮) জেলার বাগমারা উপজেলার কোনাবাড়িয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু বাকার।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল সকালে কোদাল দিয়ে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে মাটি কাটছিলেন কৃষক আতাবুল। এসময় জমিজমার পূর্ব বিরোধের জেরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মকবুল হোসেনের ছেলে আবু হানিফ প্রামানিক তার ঘাড়ের ডান পাশে কোদাল দিয়ে কোপ মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই আতাবুলের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ওইদিন বিকালে নিহতের ছেলে রাকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই পুলিশ আবু হানিফকে গ্রেফতার করে। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতে মামলাটির বিচারকাজ শুরু হয়। মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
পরে সোমবার বিকালে যুক্তিতর্ক শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন। এসময় আসামি আবু হানিফ প্রামানিক আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
/এমও/