ওসি আমিনুলের স্থলাভিষক্ত হচ্ছেন পঞ্চগর জেলার ডিবি কার্যালয় থেকে আসা পরিদর্শক মো. মনজুর রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর নতুন এ ওসির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।
তবে মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মো. মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ এটি স্বাভাবিক বদলি হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, তাড়াশে ওসির অনেকদিনই হয়েছে। সরকারি চাকরীজীবিদের বদলির বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক।
এদিকে ওসি আমিনুল বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানকে মারধরের ঘটনায় আমার কোনও গাফিলতি নেই। তাড়াশে এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার কোনও অবনতিও হয়নি। আমার এখানে দেড় বছর পূর্ণ হয়েছে। যে কয়দিন ছিলাম সেকদিন দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছি।এখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমাকে কী কারণে বদলি করেছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের (তাড়াশ-রায়গঞ্জ) সংসদ সদস্য গাজী ম.ম.আমজাদ হোসেন মিলনের সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হক ও সাধারণ সঞ্জিৎ কুমার কর্মকারসহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের কোন্দল ছিল। এর জের ধরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান হককে নিজ অফিস কক্ষে মারধর ও কোপায় দুর্বৃত্তরা।
ওই ঘটনার একদিন পর ওই ঘটনায় লাঞ্ছিত তাড়াশ সদর ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল শেখ বাদী হয়ে এমপি ও তার দুই ছেলে এবং মেয়ের জামাই ও স্বজনরাসহ ১৪ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরর পর পরই এমপির ভাগিনা উপজেলা স্বেচ্ছসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল খালেক গ্রেফতার হন। বাকিরা এখনও পলাতক।
/এআর/