কোর্ট পরিদর্শক মো. শহিদুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার একই আদালত থেকে এমপির এক ছেলে, স্বজন এবং স্থানীয় কজন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ আটজন এই মামলায় জামিন লাভ করেন।
গত ৩০ অক্টোবর তাড়াশ উপজেলা পরিষদ হলরুমে মাসিক সমন্বয় ও আইন শৃঙ্খলা সভায় সাংসদ মিলন ও তার সমর্থকের সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হকসহ বেশ ক’জন ইউপি চেয়ারম্যানের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ও তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কক্ষে হামলা চালিয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল হককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় তাড়াশ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবলু শেখ এমপি, তার পুত্র ও মেয়ের জামাইসহ ১৪ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার পরপরই এমপির ভাগিনা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আব্দুল খালেক পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও বাকিরা পলাতক ছিলেন।
/বিটি/