শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত আরএসএফ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৫০ জন শিক্ষার্থী পাঁচটি দলে বিভক্ত হয়ে পাঁচ টুকরা সাদা কাপড়ে নিজেদের ইচ্ছে মতো রং তুলি দিয়ে ছবি আঁকে। ছবি আঁকা সরাসরি তদারকি করেন আর্থ আইডেন্টিটি প্রজেক্টের চেয়ারম্যান হিরোকো কাওয়াহারা এবং মাস্টার আর্টিস্ট হিরোমি লাইওশি। ছবি আঁকা শেষে তারা ক্ষুদে আঁকিয়েদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
এর আগে প্রজেক্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয়, জাতি-ধর্ম-বর্ণ ভেদাভেদ মুছে ফেলে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বব্যাপী ছবি আঁকা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত শতাধিক দেশে ছবি আঁকা সম্পন্ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের সবগুলো দেশেই এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আরএসএফ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের উপদেষ্টা ড. মাহবুবার রহমান, কো-অর্ডিনেটর ফাইজা সিদ্দিকা, অধ্যক্ষ মোস্তাক আহমেদ মাইনুল আলম, রহিম আফরোজের ফ্যামিলি কাউন্সিলর ফাহিমা রহিম, সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টের কো-অর্ডিনেটর মুনির ভূঁইয়া প্রমুখ।
রবিবার বিকালে অধ্যক্ষ মোস্তাক আহমেদ মাইনুল আলম জানান, আরএসএফ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এখানে সমাজের সুবিধা বঞ্চিতদের শিক্ষাদান করা হয়। জাপানের দ্যা বিগেস্ট পেইন্টিং অ্যান্ড আর্থ আইডেন্টিটি প্রজেক্ট কর্তৃপক্ষ বিশ্বের সকল মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলা এবং শান্তির জন্য সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দিয়ে ছবি আঁকিয়ে নিচ্ছেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে তারা বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার কালুদাম এলাকার আরএসএফ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ চিহ্নিত করেন। তারা শিশুদের ছবি আঁকার সব উপকরণ দিয়েছিলেন। তার প্রতিষ্ঠানের শিশুদের আঁকা ছবি বিশ্ব অলিম্পিকে স্থান পাবে তাই তিনি গর্বিত।
/বিএল/