শাহজাদপুর আমলী আদালতের জেনারেল রেকর্ড অফিসার (জিআরও) আতাউর রহমান চার্জশিট ও আলামত জমাদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে চার্জশিটের খবর শুনে প্রয়াত সাংবাদিক শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার বলেন, মামলাটি দ্রুত বিচারে স্থানান্তরসহ দোষীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
শিমুল হত্যাকাণ্ডের মামলার চার্জশিটে ৩৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শাহজাদপুরের পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরু, তার ভাই হাবিবুল হক মিন্টু, মেয়রের গাড়িচালক শাহিন আলম, বহিষ্কৃত উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কে এম নাছির উদ্দিন, তাদের সহযোগী দুলাল শেখ, সাহেব আলী, আলমগীর হোসেন, নাজমুল খাঁ, আরশেদ আলী, জহির শেখ, হযরত আলী, নজরুল ইসলাম, তুফান মণ্ডল ও বিপুল শেখসহ ১৪ জন রয়েছেন। বাকি ২৪ জন অভিযুক্ত পলাতক।
তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, ‘এজাহার, ব্যালেস্টিক পরীক্ষার প্রতিবেদন, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও ঘটনার দিন ভাইরাল ভিডিও এবং সাক্ষীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিমুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট ৩৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য শাহজাদপুরে পৌর মেয়রের দুই ভাই মিন্টু ও পিন্টুর সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা বিজয় মাহমুদের বিরোধ তৈরি হয়। বিজয়কে তুলে নিয়ে মেয়রের বাড়িতে আটকে মারধর করা হয়। ওই ঘটনায় সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মেয়র মিরু, মিন্টু, পিন্টু ও নাসিরসহ তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষ বাধে। গত ২ ফেব্রুয়ারি এই বিষয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিক শিমুল গুলিবিদ্ধ হন। প্রথমে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া নেওয়া হয়। পরদিন বগুড়া থেকে ঢাকার নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় শিমুলের স্ত্রী নুরুনন্নাহার বেগম বাদী হয়ে মেয়র মিরু, তার ভাই মিন্টু ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা নাসিরসহ জ্ঞাত ১৮ ও অজ্ঞাত আরও প্রায় ২২ জনসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
নদীভিত্তিক পর্যটনে গতি আসবে অর্থনীতিতে