আগ্রাণা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গত রবিবার দুপুরে একটি মাইক্রোবাসে করে ৪-৫ জন ব্যক্তি স্কুলে উপস্থিত হন। এসময় তারা নিজেদের বোর্ডের প্রজেক্টের লোক বলে পরিচয় দেন। তারা দাবি করেন, বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ৪-৫জন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হবে। তারা বিদ্যালয়ের ভর্তি রেজিস্ট্রি দেখে পরে আসবেন বলে চলে যান। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে সেই একই দল আবার স্কুলে আসে। এসময় তিনি (প্রধান শিক্ষক) স্কুলে উপস্থিত ছিলেন না। স্কুলের কম্পিউটার বিভাগের ইন্সট্রাক্টর ইউনুস আলীর ফোন পেয়ে তিনি স্কুলে পৌঁছান। পরে তাকে দিয়ে মোবারকসহ পাঁচ শিক্ষার্থীকে ইন্টারভিউ নেওয়ার কথা বলে স্কুলে আসতে বলা হয়। মোবারক স্কুলে পৌঁছার পর তারা তার মোবাইল ফোন চেক করেন। এসময় তার ফোনে বেশ কিছু জিহাদী লিখা ও মেসেজ বের করার পর তারা নিজেদের রংপুরের র্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে মোবারককে নিয়ে চলে যান।
বিষয়টি সম্পর্কে যোগাযোগ করা হলে নাটোর র্যাব অফিসের এএসপি আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত এবং রংপুর র্যাব অফিস স্কুল ছাত্রকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেন, ঘটনার পর পরই তিনি বড়াইগ্রাম ওসি শাহরিয়ার খাঁন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত ফারজানাকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবারকের আটকের কোনও সত্যতা না পাওয়ায় স্কুল কর্তৃপক্ষ ও মোবারকের পরিবারের সদস্যরা উৎকন্ঠায় রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ওসি শাহরিয়ার খান দাবি করেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।
মোবারকের বাবা আব্দুস সাত্তার বলেন, তার ছেলে নির্দোষ। তার বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ তোলা হয়েছে তা মিথ্যা। দ্রুত তার ছেলেকে খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
আধিপত্য বিস্তারে দুই পরিবারের দ্বন্দ্বের শিকার বিএনপি নেতা মিঠু!