মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগরীর শাহ মখদুম থানার পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার আলী তুহিন জানান, রবিবার (৬ আগস্ট) অথবা সোমবার এই রিমান্ড আবেদনের উপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আসামিদের পাঁচদিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তবে আদালত এখনও কোনও আদেশ দেননি।
অভিযুক্তরা হলেন, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স (ইউআইটিএস) এর রাজশাহী শাখার সাবেক শিক্ষক সামশুল আলম বাদশা ও তার বন্ধু রাজশাহীর গোরহাঙ্গা এলাকার ইজিটাস কম্পিউটার দোকানের মালিক আবু ফায়েজ নাহিদ।
নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ পাস করে চাকরির চেষ্টা করছিলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ফেসবুকে পরিচয়ের পর ওই তরুণীকে রাজশাহীতে দেখা করতে ডাকেন সাবেক শিক্ষক বাদশা। গত ৩১ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীতে আসেন ওই তরুণী। বাদশা ওই তরুণীকে রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া এলাকার গ্রিন গার্ডেন নামে একটি রেস্ট হাউজে নিয়ে যান। এরপর বাদশা ও তার বন্ধু নাহিদ তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরে ওই তরুণী পালিয়ে থানায় যান। পুলিশের কাছে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই ওই রেস্ট হাউজ থেকে বাদশা ও নাহিদকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর ২ আগস্ট আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষায় তরুণীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে।
/বিএল/