কোর্ট ইন্সপেক্টর খুরশিদা বানু কণা বলেন, ‘শিক্ষক নূরজাহান আক্তারকে শিশু আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, রবিবার (২৭ আগস্ট) রাতে নির্যাতিত স্কুলছাত্রী জান্নাতুল আক্তার যুথির বাবা জহরলাল আলী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পড়া না পারার অভিযোগে গত ২২ আগস্ট শিক্ষার্থী যুথিকে বেদম মারধর করেন শিক্ষক মিনু।
তবে স্কুলছাত্রীর বাবা জহরলালের অভিযোগ, একই গ্রামে বাড়ি ওই শিক্ষকের সঙ্গে তাদের পারিবারিক বিরোধ ছিল। এর জের ধরে তার মেয়েকে মারধর করা হয়েছে। পরে স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করালে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ২৭ আগস্ট যুথিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাজশাহীর পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সায়েদুর রহমান ভুঁইয়া জানান, মামলায় শিক্ষক মিনুকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।সোমবার ভোররাতে উপজেলার খোকসা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে শিক্ষক মিনুকে গ্রেফতারের পর সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।