আয়োজকরা জানান, জুমার নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য মাওলানা রবিউল হক। নামাজ শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আত্মশুদ্ধির লক্ষ্যে সৌদি মেহমান বয়ান করেন। তরজমা করেন মুফতি মশিউর রহমান। বাদ আসর বয়ান করেন হাফেজ ওয়াজিউল্লাহ।
সরেজমিন দেখা গেছে, জুমার নামাজ আদায়ের জন্য জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা বিভিন্ন যানবাহন করে ও হেঁটে ইজতেমা প্রাঙ্গনে পৌঁছেন। সকাল ১০টার মধ্যেই ইজতেমা মাঠ মুসল্লি দিয়ে ভরে যায়। এরপর ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কসহ আশপাশের বিভিন্ন বাসাবাড়ি, রাস্তা, খেলার মাঠ, খোলা জায়গায় ও মসজিদে উপস্থিত হন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ফজরের নামাজ শেষে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে বগুড়ার ঝোপগাড়ি এলাকায় মারকাজ মসজিদ প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমা শুরু হয়। ওই দিন ঢাকার কাকরাইল মসজিদের মুরুব্বি মাওলানা আব্দুল মতিন বয়ান করেন। বাদ মাগরিব কাকরাইল মসজিদের মুরুব্বি মাওলানা রবিউল হক আলোচনা করেন। বিশ্ব ইজতেমার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তিন দিনব্যাপী এই আঞ্চলিক ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইজতেমা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মুফতি মশিউর রহমান জানান, জুমার নামাজে ৬ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণের আশা করলেও তা ৮ লাখ ছেড়ে যায়। এখানে মালয়েশিয়া, মরক্কো ও সৌদি আরব, চীন, ইন্দোনেশিয়া থেকে মেহমান এসেছেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল জানান, ইজতেমা উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ৬ শতাধিক পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তারা পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন। বিদেশি মুসুল্লিদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইজতেমা মাঠে পুলিশ, র্যা ব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পাশাপাশি পুরো মাঠকে শতাধিক সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।