দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা অসীম কুমার ঠাকুর ওরফে ভজ ঠাকুর জানান, সুজনের পরিবারে বাবা-মা ও এক বোন রয়েছে। তার বাবা সুনীল কুমারের নিজস্ব প্রায় দেড় বিঘা জমি আছে। এছাড়া তিনি অন্যের জমি বর্গা নিয়েও চাষাবাদ করেন। সুজন পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ থেকে অনার্স শেষ করে বর্তমানে পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজে মাস্টার্স করছে বলে তারা জানেন।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সিদ্দিক বলেন, ‘সুজন এলাকায় কারও সঙ্গেই তেমন একটা মিশতো না। তার তেমন কোনও বন্ধুও ছিল না। কিভাবে এ ঘটনা ঘটলো তা নিয়ে এলাকাবাসীও চিন্তিত।’ তিনি জানান, সুজনদের গ্রামে প্রায় ৩০টি হিন্দু পরিবার রয়েছে। সুজনকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার পর থেকে এই হিন্দু পরিবারগুলোর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এদিকে, সুজনের সহপাঠী পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি অনার্স কলেজের রাকিব হাসান রনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বাড়ি থেকেই কলেজে যাওয়া আসা করতো সুজন। তেমন কারও সঙ্গে মেলামেশা করতো না। তবে কলেজে সে অনিয়মিত ছিল।
প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ আনোয়ার হোসেন জানান, সুজন স্নাতক ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিল।সে নিয়মিত কলেজে আসতো না। এ কারণে শিক্ষকদের সঙ্গে তার তেমন কোনও যোগাযোগও ছিল না। সুজন ২০১৬ সালে অনার্স পাস করেছে।
ওই কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মুরাদ আলী জানান, সুজন অনার্স শেষ করে এখন অন্য কোথাও পড়াশোনা করছে বলে তারা শুনেছেন।
সহকারী পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) জহুরুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি ঢাকা কেন্দ্রিক। এছাড়া স্থানীয়ভাবে সুজনের বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য আমাদের কাছে নেই।’
সিটিটিসি’র কর্মকর্তারা জানান, একটি গণমাধ্যমের রিপোর্টের লিংকের মন্তব্যের ঘরে ওই যুবক মার্শা বার্নিকাটকে হত্যার হুমকি দেয়। সে নিজের নাম আড়াল করে ‘হাসান রুহানি’ নামে ফেক আইডি খুলে এই হুমকি দেয়। তার এই ফেসবুক আইডিটি গত নভেম্বরে খোলা হয়েছিল। একইসঙ্গে তার ফেক আইডি থেকে ধর্মীয় উসকানিমূলক বিভিন্ন পোস্টও দেওয়া হতো। ফেসবুকে তার ফেক আইডিটি ঘেঁটে দেখা গেছে, সে কখনও ইসলাম, আবার কখনও হিন্দু ধর্মকে আক্রমণ করে স্ট্যাটাস দিতো।
এ সংক্রান্ত আগের খবর:
মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে হত্যার হুমকি দিয়ে যুবক রিমান্ডে