মারধরের শিকার জিহাদ হোসাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। বর্তমানে জিহাদ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন। অন্যদিকে, মারধরের অভিযোগ ওঠা ছাত্রলীগ নেতা রুহুল আমিন কিসকু বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগী জিহাদ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার বিকেলে জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি’র সামনে বসে ছিলেন। তখন এক ছাত্রলীগ কর্মী এসে তাকে স্টেডিয়ামে দিকে ডেকে নিয়ে যায়। স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের সামনে গেলে ছাত্রলীগ নেতা রুহুল আমিনসহ ১০-১৫ জন পেছন থেকে জিহাদের ওপর রড, লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। জিহাদকে ধাওয়া করে টিএসসিসি’র সামনে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরে জিহাদের মাথায় জখম হয় ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
মারধরকারী রুহুল আমিন কিসকুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত আছে বলে ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘আমি যতদূর জানি তাদের মধ্যে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে । মারধরের বিষয় খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’