সিরাজগঞ্জ শহরে শব্দদূষণের চিত্রশব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে একজোট হয়েছেন সিরাজগঞ্জবাসী। সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা সভা করেছে। জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে সভায় কাঠের ফার্নিচার ব্যবসায়ী, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিক এবং মাইক ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সবাই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে একমত হয়েছেন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. ফিরোজ মাহমুদ জানান, ৮ জুলাই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ১২ আগস্ট এই বিষয়ে রেজুলেশন প্রকাশ করা হয়। সভায় শব্দদূষণকে নীরব ঘাতক ও পাবলিক নুইসেন্স হিসেবে আখ্যা দিয়ে কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের সভাপদক্ষেপগুলো হলো, অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে মাইকিং প্রচার-প্রচারণা চালানো বা মাইক ভাড়া দেওয়া হলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা ২০০৬ বিধি ১(২) অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। জেলা শহরে শব্দমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য পৌর এলাকায় কাঠের ফার্নিচারের দোকান, ইলেকট্রনিক রেঁদা ও থাই অ্যালুমিনিয়ামের দোকানগুলোতে স্টিল বা থাই পাইপ কাটার কাজে প্রচণ্ড শব্দযুক্ত করাত মেশিন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও কোচিং সেন্টারসহ যেকোনও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার জন্য মাইক ব্যবহারে জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে।