নিহত আসমানী (২৫) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছেড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন খানের মেয়ে ও একই ইউনিয়নের আটনাদিঘী গ্রামের রুবেল হোসেনের স্ত্রী।
নিহতের পিতা হাফিজ উদ্দিনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ৪ বছর আগে রুবেল হোসেনের সাথে আসমানীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করে রুবেল। দুই দফায় তাকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। গত কয়েক দিন মোটর সাইকেল কেনার কথা বলে আবারও টাকার জন্য আসমানীকে চাপ দেয় রুবেল। এর মধ্যে অন্য এক নারীর সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে রুবেল। এঘটনায় রুবেল ও আসমানীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিলো। এসব নিয়ে বিরোধের এক পর্যায়ে রবিবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রুবেল ও তার পরিবারের সদস্যরা আসমানীকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ ঘরে মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সোমবার দুপুরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের চাচা খাদেমুল হক জানান, আসমানীকে হত্যার ঘটনায় রুবেল ও তার পরিবারের সদস্যদের আসামী করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জয়দেব সরকার জানান, নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে|