বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী জানান, খোরশেদ পুরনো জেএমবি’র আমির। সে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার ঘোনারপাড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে। তার সাংগঠনিক নাম মাস্টার ওরফে সামিল।
তিনি আরও বলেন, সোমবার রাত দেড়টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার তাঁতীপুকুর এলাকায় কয়েকজন জঙ্গি নাশকতার জন্য গোপন বৈঠক করছিল। টহল পুলিশ ওই এলাকায় গেলে জঙ্গিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পিস্তল দিয়ে ৪-৫ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এসময় জানমাল রক্ষায় পুলিশও পাল্টা ১২ রাউন্ড গুলি করে। হামলাকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে জঙ্গি নেতা খোরশেদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পুলিশকে জানিয়েছে, দূরত্বের কারণে পথিমধ্যে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে তার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেছে। ঘটনাস্থলে এক রাউন্ড গুলিভর্তি ৭.৬২ ক্যালিবারের একটি বিদেশি পিস্তল,একটি ওয়ান শুটার গান,২ রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, একটি বার্মিজ চাকু, কিছু পাউরুটি ও কলার অংশ পাওয়া গেছে। জঙ্গিদের হামলায় আহত এসআই আহসান ও কনস্টেবল সাব্বিরকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এ খবর পাঠানোর সময় শিবগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।