মেয়র বলেন, ‘বর্তমান সরকার অসংখ্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্যে বিভিন্ন জায়গায় ভোকেশনাল কোর্স চালু করেছে। আরও চালু করা হচ্ছে। জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চালু করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।’
এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘ইতোপূর্বে আমাদের দেশ থেকে বিদেশে যাওয়া কর্মীরা দক্ষতার অভাবে ভালো কাজ পেতেন না। দক্ষতার অভাবে অনেক শ্রমিক অনেক কম অর্থ উপার্জন করতে পারতেন। সেই সুযোগে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনের মতো দেশগুলো বাজার দখল করে রেখেছিল। এখন সুখের খবর হচ্ছে, বর্তমান সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের কারণে, বাংলাদেশের তরুণ জনশক্তি নানারকম কাজে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে উঠছে। আমরা আশাবাদী, অদূর অভিষ্যতে বাংলাদেশের বিশাল দক্ষ তরুণ জনগোষ্ঠী বিদেশে গিয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠাবে। তাদের অর্থে দেশের বিশাল বাজেট হবে, উন্নয়ন হবে, কল্যাণ হবে। তারা নিজ পরিবার, এলাকা ও দেশের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।’
এদিকে, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে র্যালির উদ্বোধন করেন, মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে র্যালিটি রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে শুরু হয়ে শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান চত্বর ঘুরে পুনরায় ইনস্টিটিউটের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে আরও উপস্থিত ছিলেন— রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-২ ও ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রজব আলী, রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ। র্যালি শেষে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন ও প্রবন্ধের ওপর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।