শনিবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়মিত সভা ও আলোচনা চলে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে হঠাৎ ৫-৬টি মোটরসাইকেলে কিছু যুবক ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে কার্যালয়ের সামনে রাখা একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় আরও দুটি মোটরসাইকেলে তারা ভাঙচুর চালায়।
আমিনুল হক দাবি করেন, নির্বাচনে যাতে বিএনপি মাঠে নামতে না পারে সে জন্য ভীতি ছড়াতেই এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
বিএনপির সমর্থক জনৈক গোলাম মাওলা পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটির মালিক বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের মোবাইলফোনে বারবার যোগাযোগ করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
তবে এ ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মালেক শেখ। তিনি বলেন, ‘জয় বাংলা’ হলো মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। এই স্লোগান দিয়ে আওয়ামী লীগের কেউ গাড়ি পোড়ানোর মতো ঘটনা ঘটাতে পারে না। গাড়িতে আগুন দেওয়া, ভাংচুরসহ সহিংসতার ইতিহাস বিএনপির রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এটা বিএনপির একটা সাজানো নাটক। বিরোধীরা নিজেদের লোক দিয়ে ঘটনা ঘটিয়ে আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।
সদর থানার ওসি জালাল উদ্দিন পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিককে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় কেউ কোনও অভিযোগও দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।