সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বিপ্লব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জালাল উদ্দিন জানান, জেম্সের দূর সম্পর্কের এক মামা সেন্টুর ট্রাকের মালিকানাসহ আয় নিয়ে সেন্টুর সঙ্গে তার স্ত্রী রোজিনার দ্বন্দ্ব চলছিল। পারিবারিক এ দ্বন্দ্বে জেম্স মামা সেন্টুর পক্ষ নেয়। বিষয়টি রোজিনা রিয়নকে বলে এবং রিয়নকে তার পক্ষে নিয়ে আসে। জেম্স বিষয়টি জানতে পেরে তার অনুসারীদের নিয়ে মঙ্গলবার রিয়নের বাড়িতে যায়। তর্কাতর্কির একপর্যায়ে জেম্স রিয়নকে গুলি করে। রিয়নের চিৎকারে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে জেম্সকে মারধর করে। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাবাসীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওসি জালাল উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও মামলা দায়ের বা কাউকে আটক করা হয়নি।