উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যান মোরশেদ মিল্টন বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগও করেন। গত ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাচাই পর্যন্ত পদত্যাগের চিঠি হাতে না পাওয়ায় রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ তার প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করেন। ৩ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে এ ব্যাপারে আপিল করেন মিল্টন। উপজেলা পরিষদ থেকে মিল্টনের পদত্যাগ করার বিষয়টি সঠিক হওয়ায় ৬ ডিসেম্বর সকালে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এ খবরটি তার এলাকায় পৌঁছলে নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও তিনমাথাসহ অন্যান্য এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ সময় বিএনপি নেতা ফজলে রাব্বী মণ্ডল, আবদুল হোসেন, সাইদুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা শাওন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নেতারা বলেন, ‘সরকার ষড়যন্ত্র করে তাদের নেতা মিল্টনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল। কিন্তু সরকারের সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। তাদের দাবি, মিল্টন সর্বোচ্চ ভোটে এমপি হবেন।