নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন নৌকা ও ধানের শীষের দুই প্রার্থী। নতুন এই দুই প্রার্থীর ভোটযুদ্ধে এখন সরগরম পুরো নির্বাচনি এলাকা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে ছুটে বেড়াচ্ছেন প্রার্থী ও তার সমর্থকরা।
ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনার পাশাপাশি দিচ্ছেন নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। ভোটাররাও তাদেরকে নিয়ে শুরু করেছেন বিচার-বিশ্লেষণ।
গ্রাম-শহর, পাড়া-মহল্লায় সবখানেই গল্প-আড্ডায় আলোচনার কেন্দ্রে নৌকা ও ধানের শীষের এই দুই প্রার্থী। প্রার্থী হিসেবে দুজনেই নতুন। তবে তাদের মধ্যে নির্বাচনি লড়াই জমে উঠেছে। নতুন হলেও দুজনেই পরিচিত মুখ এবং দুজনেই শান্তিপ্রিয় মানুষ। এলাকার উন্নয়ন ও অগ্রগতির নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নতুন প্রার্থী চায় মানুষ। স্বচ্ছ ভাবমূর্তির এই দুই প্রার্থীকে নিয়ে মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে।
এ আসনে ভোটার রয়েছে প্রায় পৌনে ৩ লাখ। পূর্বের নির্বাচনগুলোতে নৌকা ও ধানের শীষের প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না।
নির্বাচনের প্রার্থী বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্মল কৃষ্ণ সাহা বলেন, ‘জননেতা আব্দুল জলিল শুধু নওগাঁর নয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন অভিভাবক ছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি নওগাঁ সদর থেকে বার বার নির্বাচিত হয়েছেন। তার ছেলে নিজাম উদ্দিন জলিল একজন উচ্চ শিক্ষিত ও স্বচ্ছ ভামমূর্তির প্রার্থী। তার জয়ের বিষয়ে আমরা শতভাগ আশাবাদী।’
আওয়ামী লীগ প্রার্থী নিজাম উদ্দিন জলিল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আমার বাবার দেখানো পথে সাধারণ মানুষের সেবা করতেই নৌকার মাঝি হয়েছি। নির্বাচিত হতে পারলে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ধারায় নওগাঁকে আরও উন্নত করতে চাই।’
বিএনপির প্রার্থী বিষয়ে নওগাঁ পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির আহমেদ বলেন, ‘জাহিদুল ইসলাম একজন ভালো সংগঠক। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তাকে নিয়ে কোনও ভেদাভেদ নেই। দলের নেতাকর্মী ও ভোটারদের কাছে তিনি স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী। এখানে ধানের শীষকে জয়ী করতে জাহিদুল ইসলামের পক্ষে আমরা ঐক্যবদ্ধ।’
বিএনপি প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মানুষের ভালোবাসা নিয়েই ভোটযুদ্ধে নেমেছি। যেহেতু নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি, তাই ভোটারদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করছি। তাদের দোয়া চাইছি। এখানে বিএনপির যে সুদৃঢ় অবস্থান রয়েছে, তাতে জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’