নাটোরে পোলিং এজেন্ট সংকটে বিএনপি




একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনদরজায় কড়া নাড়ছে একাদশ সংসদ নির্বাচন। দেশ চালানোর প্রতিনিধি নির্বাচনে উৎসুক হয়ে রয়েছে জনগণ। তবে এই নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেওয়া নিয়ে বিপাকে পড়েছে নাটোর বিএনপি। দলটির স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ- যাদের পোলিং এজেন্ট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তাদের অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হামলা-মামলার ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে।

নাটোর-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী কামরুন নাহার শিরিন অভিযোগ করেন, ‘আমার এলাকার বিভিন্ন গ্রামে, ওয়ার্ড-ওয়ার্ডে বিএনপি ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পোলিং এজেন্ট হিসেবে যাদেরকে ঠিক করেছিলাম, তাদেরকে নিয়মিত ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। এ অবস্থায় পোলিং এজেন্ট নিয়োগ নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

অপরদিকে নাটোর-২ আসনের প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি অভিযোগ করেন, ‘নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে প্রচারণায় বের হওয়ার পর তাদের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং অনেককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপরদিকে যাকেই পোলিং এজেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছি তাদেরকেই মারপিট, হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। এ অবস্হায় পোলিং এজেন্ট নিয়োগ নিয়ে বিপাকে রয়েছি।’

নাটোর ৩ আসনের প্রার্থী দাউদার মাহমুদের অভিযোগও একই রকমের। তিনি বলেন, ‘এজেন্ট নিয়োগ নিয়ে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে। এজেন্ট হিসেবে কারও নাম ঘোষণার পর পরই তার ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। হামলা-মামলা ভয় দেখানো হচ্ছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘পুলিশ বিএনপির এজেন্ট আর ভোটারদের হুমকি-ধামকি দিয়ে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলছে। রাজি না হলে তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।’

অন্যদিকে নাটোর-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আজিজ বলেন, পোলিং এজেন্ট তো দূরের কথা প্রার্থী হিসেবে আমাকেই মাঠেই টিকতে দেওয়া হচ্ছে না। ধানের শীষের ভোটার আর এজেন্ট হিসেবে যারা পরিচিত হয়েছেন, প্রতিনিয়তই তাদেরকে হুমকি-ধামকি, গ্রেফতার আর নির্যাতন করা হচ্ছে।

নাটোরের চারটি আসনের বিএনপি প্রার্থীদেরই দাবি- একটি সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশন, রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।