এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুর ২টার দিকে নওগাঁ ছোট যমুনা নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হন রিফাত। তাকে উদ্ধার করতে নওগাঁ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এবং রাজশাহী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দল কাজ করে। সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত কোনও সন্ধান না পেয়ে উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
শুক্রবার সকাল থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। পরে বিকাল সোয়া তিনটার দিকে রিফাতের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি নওগাঁ শহরের কুমাইগাড়ী মহল্লার দেওয়ানপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে রিফাত বাড়িতে আসে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্রিকেট খেলার পর রিফাত ও তার চাচাতো ভাই উল্লাসকে নিয়ে দুপুর ১টার দিকে ছোট যমুনা নদীতে সাঁতার কাটছিল। তারা নদীর দক্ষিণ পাশ থেকে সাঁতারে উত্তর পাড়ে যাচ্ছিল। উল্লাস নদী পার হলেও পাড়ে পৌঁছার ৫/৭ ফুট দূরে রিফাত পানিতে ডুবে যায়।
বিষয়টি জানাজানি হলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় ১৫/২০ জন লোক পানিতে নেমে রিফাতকে খুঁজতে থাকে। এছাড়া জাল দিয়ে টেনেও কোনও সন্ধান করতে পারেনি।
নওগাঁ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র ম্যানেজার সাবের আলী বলেন, শুক্রবার দুপুর তিনটার দিকে নওগাঁ সরকারি ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রির মোড় খেয়া ঘাটের পাশ থেকে রিফাতের লাশ উদ্ধার করা হয়।