শিক্ষার্থীদের অন্য দাবিগুলো হলো, সাকিবের শাস্তি পুনর্বিবেচনা করে সব ক্রিকেট খেলার অনুমতি প্রদান ও বিসিবির মেরুদণ্ড সোজা করে বিশ্ব ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করা।
এসময় শিক্ষার্থীরা ‘ক্রিকেট নিয়ে ষড়যন্ত্র চলবে না, চলবে না’, ‘ক্রিকেটের ষড়যন্ত্র রুখে দাও’, ‘পাপন হটাও, ক্রিকেট বাঁচাও’ বলে স্লোগান দেন।
সড়কে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, সাকিব আল হাসানকে বহিষ্কারের পেছনে বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে বড় ষড়যন্ত্রের আভাস পাচ্ছি। বিসিবিকে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে হবে। সাকিব যে ভুল করেছে তার জন্য এত বড় শাস্তি হতে পারে না। বিসিবি সভাপতি পাপন ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের সময় বলেছেন সাকিবের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বিসিবি। এরপরই এমন শাস্তি দিলো আইসিসি। আমরা মনে করি, পাপন বিসিবির সভাপতি থাকার যোগ্য নয়। তাকে দ্রুত সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করতে হবে।
এদিকে, সাকিবকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে মৌন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ফরিদ উদ্দীন খান।
তিনি বলেন, ‘সাকিব শুধু বাংলাদেশ ক্রিকেট নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের সম্পদ। সাকিব যেটি করেছে সেটি অপরাধ নয়, এটি ভুল। এই ভুলের জন্য এত বড় শাস্তি হতে পারে না। আইসিসি চাইলে বিষয়টি বিবেচনা করে তার সাজা মওকুফ করতে পারতো।’