বগুড়ায় নিজ এলাকার মানুষ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়া মহানগরীর ধরমপুর-মাটিডালি নাজিম উদ্দিন জিলাদার ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
নামাজ শেষে মুশফিক রহিম ঈদগাহ ময়দানে আগত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। তার সঙ্গে ছিলেন বাবা মাহবুব হামিদ। তবে ঈদুল ফিতরের মতো এবার আর তিন প্রজন্মের একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়া হয়নি তাদের। মুশফিকুর রহিমের ছেলে শাহরোজ রহিম মায়ান হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় বাবার সঙ্গে ঈদগাহ মাঠে আসতে পারেনি।
এর আগে সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত করেন এই তারকা ক্রিকেটার।
ঈদের নামাজ শেষে মুশফিকুর রহিম বলেন, সর্বপ্রথম এলাকাবাসী এবং দেশবাসী সবাইকে ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। সবাই যার যার পরিবারের সঙ্গে সুস্থভাবে এবং সাবধানতা অবলম্বন করে ঈদ করবেন। পাড়া-প্রতিবেশী যারা গরিব, অসহায় মানুষ যারা আছেন তাদের সবাইকে নিয়ে কোরবানি ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেবেন।
বগুড়া শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামের উইকেটের ভূয়সী প্রশংসা করে সাবেক এই অধিনায়ক আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফেরানোর তাগিদ দেন। মুশফিকুর রহিম বলেন, আমি মনে করি, শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামের উইকেট যদি বলেন, বাংলাদেশে ওয়ান অব দ্য বেস্ট উইকেট। তো আমি মনে করি এরকম ভালো উইকেটে অবশ্যই খেলা হওয়া উচিত। আমি আশা করছি যে, এখন সংস্কারের কাজ অলরেডি শুরু হয়ে গেছে। ইন্টারন্যাশনাল খেলা হওয়ার জন্য যেটা ন্যূনতম ফ্যাসিলিটিজ দরকার, সেটা যদি হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ তাহলে অবশ্যই আবার নেক্সট টাইমে আবারও ইন্টারন্যাশনাল খেলা চালু হবে শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে।
মুশফিকুর রহিমের বাবা মাহবুব হামিদ বলেন, ছেলের সঙ্গে ঈদ করা এমনিতেই খুব আনন্দের। একমাত্র ঈদ ছাড়া তো আমরা তাকে পাই না। নাতিটার জন্য একটু আফসোস হচ্ছে। ওর গায়ে জ্বর আসছে দেখে মাঠে আসেনি। তাহলে আমরা গতবারের মত তিন প্রজন্ম একসঙ্গে নামাজটা পড়তে পারতাম। সবাই আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।









