সরকারি চাল আত্মসাৎ ও অনিয়ম করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় বগুড়ায় গাবতলীর মহিষাবান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওয়াজেদ আলীকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু যুক্ত বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এর আগে আরও চার নেতার বিরুদ্ধে একই ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তারা হলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস, নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আনসার আলী, সারিয়াকান্দির কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজিউল হক গাজী এবং শিবগঞ্জের সৈয়দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাজু।
জানা গেছে, গাবতলীতে গবিবের চাল আত্মসাতের চেষ্টা প্রমাণ হওয়ায়
মহিষাবান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওয়াজেদ হোসেনের খাদ্য অধিদফতরের ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে সত্যতা পাওয়ায় বুধবার (১৫ এপ্রিল) উপজেলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এছাড়া তার ডিলারশিপের জামানত ২০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত এবং ১০০ বস্তা চালের দ্বিগুণ মূল্য প্রায় সোয়া দুই লাখ টাকা আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওনক জাহান বলেন, ডিলার ওয়াজেদ হোসেন ১০০ বস্তা চাল গুদাম থেকে উত্তোলন করেননি। তিনি এ চাল বিক্রি দেখিয়ে ভুয়া মাস্টাররোল তৈরি করেছিলেন।