স্বপ্নের ফসল ঘরে তোলার পর যখন কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে ঠিক তখনি তারা বন্যায় ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন উল্লেখ করে পলক বলেন, অনেকের বাড়িঘরে পানি উঠেছে। পরিবার পরিজন আর গবাদি পশু নিয়ে তাদের কষ্টের সীমা নেই।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পলক আরও বলেন, গাছ আমাদের অক্সিজেন দিয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করার পাশাপাশি প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে সময় মত বৃষ্টিপাত হয়। বন হচ্ছে বিভিন্ন প্রাণি ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বন কেটে উজাড় করার কারণে বনের প্রাণি আজ লোকালয়ে এসে করোনাসহ বিভিন্ন মহামারির সৃষ্টি করছে। বাড়ছে বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি।
করোনায় দেশের মানুষ প্রায় সাড়ে চারমাস ধরে কর্মহীন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এভাবে একের পর এক দুর্যোগে মানুষ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। অথচ বৃক্ষ নিধন না করলে এমন দুর্যোগ থেকে মানুষ রক্ষা পেত। ইসলাম ধর্মে বৃক্ষরোপণকে সাদকায়ে জারিয়া বলা হয়েছে। বিজ্ঞানীরাও বৃক্ষরোপণের ব্যাপারে বারবার তাগিদ দিচ্ছেন।
করোনা এবং বন্যা সংকটেও দেশের অর্থনীতির চাকা চালু রাখতে প্রযুক্তির মাধ্যমে অনলাইন পশুর হাটসহ বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার দাবি করে তিনি মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে অন্তত ৩টি করে গাছের চারা রোপণের আহ্বান জানান। এ কাজে সরকারি কর্মকর্তা,কর্মচারী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব,জনপ্রতিনিধিসহ সকলকে অংশ নেওয়ার কথাও বলেন পলক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন বানুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, ইউসিসি চেয়ারম্যান নবীর উদ্দীন প্রমুখ। এ সময় সিংড়ায় ১ লাখ বৃক্ষচারা রোপণের অংশ হিসেবে ২৫ হাজার চারা বিতরণ, বন্যা কবলিতদের আর্থিক সহায়তা এবং ঋণ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।