পুলিশ বলছে, সম্প্রতি নিজ গর্ভের একই বয়সী শিশুকে দত্তক দেয় শাকিলা। নিজের শিশুকে ফিরিয়ে আনতে চাপ দেয় তার স্বামী বড়াউগ্রাম উপজেলার তিড়াইল গ্রামের ট্রাকচালক সাইফুল ইসলাম। এতে তিনি বেকায়দায় পড়েন। নিজের দত্তক দেওয়া সন্তানকে ফিরে পান না কিছুতেই। পরে স্বামীকে বুঝ দিতে অন্যের শিশু তাইবাকে চুরি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গুরুদাসপুর থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা। এ সময় গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক ও মামলার আইও এসআই আকরাম উপস্থিত ছিলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন, ‘আগের পক্ষের এক কন্যাসন্তানসহ শাকিলার ট্রাকচালক সাইফুলের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর আবারও এক কন্যাসন্তানের মা হন তিনি। স্বামী ছাড়াই তিনি বনপাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্বামী খরচের টাকা না পাঠানোয় নিজ শিশুকে গুরুদাসপুরের নয়াবাজার এলাকার এক এনজিওকর্মীর স্ত্রীকে দত্তক দেন শাকিলা। এরপর থেকেই শিশুকে ফিরিয়ে আনতে স্বামীর চাপে পড়লেও দত্তক দেওয়া শিশুকে তিনি ফিরে পাননি। অবশেষে স্বামীকে বুঝ দিতে তাইবাকে চুরি করেন তিনি।
গ্রেফতার শাকিলাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান মামলার আইও আকরাম।
আরও পড়ুন...
হাসপাতালে চুরি যাওয়া শিশুর খোঁজ মেলেনি রাতেও