পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নে নির্বাচনি সহিংসতায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াছিন আলম নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, নিহতের বাবা মোজাম্মেল হক খান বাদী হয়ে শনিবার (১১ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে মামলাটি করেন।
মামলায় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ খানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৪ জনকে নামীয় এবং আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। এর আগে শনিবার ঘটনার পর ভাড়ারা ইউপির নলদহ চেয়ারম্যানপাড়া এলাকা থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তারাও এই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
এদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় ওই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
শনিবার সকালে ভাড়ারা ইউনিয়নের চারা বটতলার ইন্দারা মোড় কালুরপাড়া এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণা নিয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াসিন আলম নিহত হন।
আরও খবর: তিন প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী নিহত, নির্বাচন স্থগিত