১৫ বছর বয়সে বেছে নেন মোটরসাইকেল মেরামতের কাজ। দুই বছর অন্যের গ্যারেজে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন। এখন তিনি নিজেই মোটরসাইকেল গ্যারেজের মালিক। সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরের মাদারগঞ্জ রোডের পশ্চিমপাড়া এলাকায় অবস্থিত তার গ্যারেজ।
লেলিনের গ্যারেজে এখন আপন বড়ভাই ফিরোজ মিয়াসহ চার থেকে পাঁচজন শ্রমিক কাজ করছেন। বর্তমানে তার মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকা।
সাদুল্লাপুর উপজেলা সদরের জয়েনপুরের এনজিও কর্মী সামিয়ুর রহমান শামীম বলেন, আমি প্রায়ই তার কাছে মোটরসাইকেল মেরামত করে নিই। তিনি প্রতিবন্ধী হলেও কাজে অনেক দক্ষ। মেরামত খরচ অনেক কম নেন।
লেলিন মিয়া জামুডাঙ্গা গ্রামের দিনমজুর আমছার আলীর ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে লেলিন সবার ছোট।
তার বাবা আমছার আলী বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় লেলিন ছোটবেলা থেকে কোনও কাজ করতে পারতো না। তার ভবিষ্যত নিয়ে আমরা চিন্তায় পড়েছিলাম। কিন্তু এখন আর চিন্তা করতে হয় না। বরং তার আয়ে আমাদের সংসার সুন্দরভাবে চলছে। তার গ্যারেজে আমার বড় ছেলে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে।
লেলিন মিয়া বলেন, ইচ্ছেশক্তি থাকলে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোনও বাধা নয়। তার প্রমাণ আমি নিজে। নিজে স্বাবলম্বী হয়ে সাত সদস্যের সংসার চালাচ্ছি।
আরও পড়ুন:
কিশোরগঞ্জে দুই মামলায় বিএনপি’র ৫১ নেতাকর্মী খালাস
/এআর/এইচকে/আপ-এনএস/