শফিউলের বাড়ি দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার হাট শ্যামগঞ্জ দক্ষিণ দেবীপুর গ্রামে। সে ওই এলাকার আব্দুল হাইয়ের ছেলে।
জানা গেছে, মঠ অধ্যক্ষ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শফিউল পলাতক ছিলেন। চলতি বছরের ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় র্যাব তাকে আটক করেছিল।
চার্জশিটের অভিযোগে জানা গেছে, চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে জেএমবি সদস্য ও চার্জশিটভুক্ত আসামি নজরুল ওরফে হাসান, রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ও শফিউল ইসলাম ওরফে ডন মোটরসাইকেলে করে মঠে আসেন। নজরুল মোটরসাইকেলে বসে ছিল। রাজিবুল ও শফিউল মোটরসাইকেল থেকে নেমে মঠের ভেতরে যায়। রাজিবুল ও শফিউল দুজনই পিস্তল দিয়ে তাকে গুলি করে। পরে যজ্ঞেশ্বর রায়কে গলা কেটে হত্যা নিশ্চিত করে রাজিবুল। এরপর ককটেল ফাটিয়ে মোটরসাইকেলে করে তারা আবার চলে যায়।
উল্লেখ্য,বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কের নান্দাইলের ডাঙরি এলাকায় বোমা হামলা ও গুলিবর্ষণ করে জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার সময় র্যাব-১৪ এর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শোলাকিয়ায় পুলিশ হত্যা মামলার আসামি শফিউল ওরফে ডন ও আবু মুকাতিল নিহত হয়।
আরও পড়ুন- জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা: র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২
/এআর/এফএস/