মঙ্গলবার সকালে ডোমার থানা চত্বরে অনুষ্ঠিত ওপেন হাউস ডে এবং কমিউনিটি পুলিশিং সভায় তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে পুরস্কারের অর্থ দুলালের হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান।
অপর পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন ইসমাইল হোসেন (২৫) ও সোনারায় ইউপি সদস্য শাহজাহান আলী (৩৫)।
পুলিশের এমন পুরস্কার পেয়ে দুলাল বলেন,‘এখন প্রতিদিন দেশের জন্য অন্তত একটি করে ভালো কাজ করার ইচ্ছা জাগছে আমার। স্কুলছাত্রী রিশার খুনী ওবায়দুলকে ধরিয়ে দিয়ে ভাবতে পারিনি আমি প্রশংসিত হবো, মানুষের কাছে এতো সম্মান পাবো। সবার প্রশংসা আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।’
গত ৩১ আগস্ট সকালে উপজেলার সোনারায় বাজার থেকে চাঞ্চল্যকর ওই হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি ওবায়দুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন মাংস ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনসহ অপর দুই সহযোগী। তারা ওই বাজারে ওবায়দুলকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হলে পুলিশের সরবরাহ করা ছবির সঙ্গে মিল পেয়ে তাকে আটক করে। এরপর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে ঢাকায় নেয়।
ডোমার থানার ওসি আহমেদ রাজিউর রহমান বলেন,‘রিশা হত্যা মামলার আসামিকে ধরিয়ে দেওয়ার কাজে সহযোগিতার জন্য দুলালসহ ওই তিনজনকে আর্থিক পুরস্কৃত করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন।’ তবে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ জানাননি তিনি।
ওসি আহমেদ রাজিউর রহমানের সভপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জাকির হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ডোমার পৌর মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল আলম, চেয়ারম্যান মোসাব্বের হোসেন, সোনারায় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল আলম প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
রিশার ঘাতককে ধরিয়ে দেওয়া সেই দুলাল
/বিটি/