ইন্টার্ন চিকৎসকরা জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে ইন্টার্নি চিকিৎসকদের এক অংশের নেতা ফারহান ও উত্তমের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ সংলগ্ন ডা. মিলন ইন্টার্ন ডক্টরস হোস্টেলে হামলা চালিয়ে চারটি কক্ষ ভাঙচুর ও ল্যাপটপ, মোবাইলসহ মালামাল লুট করে। এ সময় হামলাকারীরা ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. রাকিব ও ছাত্রলীগ নেতা রাসেলকে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় আরও তিন ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হন।
এ বিষয়ে রংপুর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. অনিমেষ চন্দ্র বলেন, ‘তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, এ ঘটনায় এখনও থানায় অভিযোগ করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আব্দুল আজিজ জানান, লিখিত অভিযোগ না দিলে তাদের কিছুই করার নেই।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়ায় সাধারণ ইন্টার্ন ডাক্তারদের হাতে আটক ১২ ছাত্রলীগ ক্যাডারের শুধুমাত্র ছবি তুলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এরা হলো নাহিদ, মাহমুদ, রাসেল, রাকিব, তাহের, দোলোয়ার, কায়েস, ফারুখ, রতন, শামিম, ফিরোজ ও সমর। এদের ঠিকানাও লিখে রাখা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগ পেলে তাদের গ্রেফতার করা হবে।’
এদিকে, জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত মেডিক্যাল অফিসার ডা. আবুল হাসান জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে ঝামেলা হওয়ায় তারা হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ কোনও ওয়ার্ডেই দায়িত্ব পালন করছেন না। ফলে চিকিৎসায় কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে।
আরও পড়ুন:
'পর্ন সাইটে প্রবেশকারীদের তালিকা প্রকাশ হবে না'
/বিটি/