শজিমেক হাসপাতাল ক্যাম্পাসে স্থাপিত ছিলিমপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ টিএসআই শাহ আলম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে জঙ্গি আমিজুলের লাশের ময়নাতদন্ত শেষ হয়। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত তার কোনও স্বজন লাশ নিতে আসেনি। লাশ মর্গে রয়েছে। কেউ না এলে লাশ দাফনের জন্য আঞ্জুমান-ই-মফিদুল ইসলামকে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, বগুড়া ডিবি ও শেরপুর থানা পুলিশের একটি দল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহীর গোদাগাড়ির বুজরুক রাজারামপুর গ্রাম থেকে আমিজুলকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তিতে বুধবার গভীর রাতে শেরপুরের জামনগর এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে গেলে সঙ্গীরা তাকে ছিনিয়ে নিতে গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি করলে আমিজুল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় আমিজুল।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. এরফান জানান, আমিজুল আগে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। সম্প্রতি সে নব্য জেএমবিতে যোগদান করে। তার বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বুজরুক রাজারামপুর গ্রামে। বাবার নাম দুরুল হক। কিন্তু সে ওই গ্রামে তার পালক বাবা আতাউর রহমানের বাড়িতে থাকতো। সেখানে জেএমবি সদস্যের গোপন বৈঠক ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। দক্ষতার কারণে তাকে জেএমবির সামরিক শাখার উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে শেরপুরের মহিপুর জুয়ানপুর কুটিরভিটা গ্রামে গ্রেনেড বিস্ফোরণ মামলার সন্দেহভাজন আসামি ছিল।
/বিএল/
এ সংক্রান্ত আগের খবর: