প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঠাকুরগাঁও সফরের সময় এ দাবি জোরালোভাবে উত্থাপন করার জন্য সভায় বর্তমান জোট সরকারের অংশীদার রাজনৈতিক দলসহ নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বানও জানান পর্যটনমন্ত্রী।
সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় যাত্রীর অভাবে সৈয়দপুর বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এখন সেখানে বিমানের টিকিটের জন্য যাত্রীদের কাড়াকাড়ি পড়ে যায়, সবগুলো বিমানই হাউসফুল। এটা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।’
মন্ত্রী আশাবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আশা ছিল, বিমানে করে ঠাকুরগাঁও আসব। এবারে সেটা হলো না। তবে আশা করছি, এ সরকারের আমলেই সেই ইচ্ছা পূর্ণ হবে।’
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়ালের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ দবিরুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক কুরাইশী প্রমুখ।
বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার শীবগঞ্জ বিমান বন্দর পরিদর্শনকালে বিমানবন্দর চালুর ব্যাপারে স্পষ্ট কোনও ঘোষণা না দেওয়ায় জেলার কিছু মানুষ অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। পরে দুপুরে পীরগঞ্জ যাওয়ার পথে বিমানবন্দর চালুর দাবিতে শহরের চৌরাস্তায় মন্ত্রীর গাড়ি বহরের পথরোধ করে জেলা নাগরিক সমাজ। এসময় রাশেদ খান মেনন গাড়ি থেকে নেমে বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে আশ্বস্ত করলে তারা রাস্তা থেকে সরে দাঁড়ান।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগায়েঁর শীবগঞ্জের বিমান বন্দরটি ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। ঢাকা ও ঠাকুরগাঁর মধ্যে বিমান চলাচল করতো। ১৯৮০ সালে লোকসান দেখিয়ে এ বিমান বন্দরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন: আমাকে না জানিয়েই তারের জঞ্জাল সরানোর অভিযান: মেয়র আরিফুল