কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বরকত মো. খুরশিদ আলম ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘যেভাবে পানি প্রবাহিত হচ্ছে তাতে যেকোনও মুহূর্তে রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কের ওই অংশ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’ জেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়ী বাজারের পশ্চিম অংশ থেকে কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগের প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক বর্তমানে বন্যার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে বলে জানান এই নির্বাহী প্রকৌশলী।
কুড়িগ্রামে প্রায় সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। জেলার ৯ উপজেলার নিম্নাঞ্চলের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। গত ১২ ঘণ্টায় (রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) ধরলা নদীর পানি ৪৫ সেন্টিমিটার বেড়ে কুড়িগ্রাম ফেরি ঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১০৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়ে চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বাড়ছে তিস্তা ও দুধকুমারেও। গত চারদিন ধরে পানি বাড়ার কারণে গবাদী পশু এবং জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটছেন বন্যা কবলিত মানুষ।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
কুড়িগ্রামে হু হু করে বাড়ছে পানি, নতুন এলাকা প্লাবিত