জেলার মিরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক হাফিজার রহমান বলেন, ‘অতি বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের ফলে এলাকায় বন্যা হওয়ায় চাষিরা ঘুরে দাঁড়াতে আগাম সবজি চাষ করেছে। এরই ফলে বাজারে নতুন সবজি উঠতে শুরু করেছে।’
জলঢাকা উপজেলার মিরগঞ্জ হাট ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শসা ৩৪ টাকা, লম্বা বেগুন ৩০ টাকা, গোল বেগুন ৩৫ টাকা, সিম ৫০ টাকা, জিঙ্গা ৬০ টাকা, মুলা ২৮ টাকা, চিচিঙ্গা ৫৫ টাকা, আলু (দেশি) ২০ টাকা, অন্যান্য আলু ২২ থেকে ২৫ টাকা,গাজর ৪৮ টাকা, করলা ৪০ টাকা,পটল ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫টাকা, কচুর লতি ৩০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা ও মটরশুটি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া মাঝারি আকৃতির ফুল কপি প্রতি কেজি ৫০ টাকা, পাতা কপি প্রতি কেজি ৪৫ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৩০ টাকা, জালি কুমড়া ৪০ টাকা, প্রতি হালি কাঁচকলা ২০-২৫ টাকা ও লেবু প্রতি হালি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, লালশাক, লাউশাক, পালংশাক, মুলা শাক, কুমড়া শাক ও ডাটা শাকসহ নানা ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পুদিনা পাতা ১০০ গ্রাম ১৫ টাকা, ধনে পাতা প্রতি ১০০ গ্রাম ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বাজারে মাংসের দামও তুলনামূলকভাবে কম। বাজারে বর্তমানে গরুর মাংস ৩৮০ টাকা, খাসির মাংস ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের প্রতিটি দেশি মুরগি ৩২৫ থেকে ৩৬০ টাকা, ব্রয়লার প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২৫ টাকা, লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, হাঁস ৩০০ টাকা, ভেড়া ও ছাগলের মাংস ৪৫০ টাকা ও কবুতর ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক জি এম ইদ্রিস বলেন, ‘সবজি চাষে এবার জেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিল চার হাজার ৫০ হেক্টর জমি। তবে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চাষিরা আগাম জাতের সবজি চাষ করে। এতে ওই লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে চার হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে।’