পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের ডরমেটরির পেছনের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে বসতি গড়ে তোলে ৯-১০টি ভূমিহীন পরিবার। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ইউএনও তোফাজ্জল হোসেন পুলিশ ও শ্রমিক নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। উচ্ছেদের সময় কয়েকজন নিজেই তাদের বসতি তুলে নিতে থাকে। কিন্তু সন্ধ্যার পরেও উচ্ছেদ অভিযান অব্যহত রাখায় দখলকারীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় বাধ্য হয়ে সেখান থেকে ইউএনও পুলিশসহ ফিরে আসেন। এরপর উত্তেজিত উচ্ছেদকারীরা লাঠি ও অস্ত্র নিয়ে ইউএনও’র বাসভবনে হামলার চেষ্টা চালায়। এসময় তারা বাসার সামনে থাকা স্টেনো খোকন মিয়াকে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে।
উচ্ছেদ হওয়া ভূমিহীন শ্রীমতি জননী রানী, সাজু মিয়া ও মোখলেছ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘৯-১০টি ভূমিহীন পরিবার ঘর তুলে বসবাস করে আসছে। কিন্তু কোন ধরণের নোটিশ বা সতর্কতা ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদের সময় তাদের বসতবাড়ি ভাঙচুর ও ঘুমন্ত এক শিশু আহত হয়। তাছাড়া দিনে উচ্ছেদ না করে রাতে উচ্ছেদ করায় ঘর, মালামাল ও শিশুদের নিয়ে বিপাকে পড়েন তারা।’
তবে ইউএনও তোফাজ্জল হোসেন জানান, মৌখিক ও লোকমাধ্যমে বারবার বলা স্বত্বেও বসতি সরিয়ে নেয়নি দখলকারীরা। বাধ্য হয়ে তিনি উচ্ছেদ অভিযান চালান। পুলিশ ও স্থানীয় উপস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
পলাশবাড়ীর থানা অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল আলম বলেন, ‘সড়ক অবরোধকারীদের বুঝিয়ে শান্ত করা হলে তারা অবরোধ তুলে নেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।’