হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বন্দর দিয়ে ৪৫ থেকে ৫০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হতো। পরে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে ভারতে পেঁয়াজের ক্ষেত নষ্ট হয়ে সেদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় আমদানি কমে ১৫ থেকে ২০ ট্রাকে নেমে আসে। সম্প্রতি আবারও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে নতুন জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। ফলে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। বর্তমানে বন্দর দিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে।
সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে (ট্রাকসেল) ৪৩ টাকা থেকে ৪৭ টাকা কেজি দরে। ইন্দোরের পুরনো মোটা জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা কেজি দরে, নাসিকের পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৪৫ থেকে ৪৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত মে থেকে জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের চেয়ে আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই তিন মাসে বন্দর দিয়ে ২৬ হাজার ২৯৫টন পেঁয়াজ কম আমদানি হয়েছে। সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় সেদেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ছে। ফলে পেঁয়াজের আমদানিও বেড়ে গেছে। আগামী দুই-এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের বাজারেও বিভিন্ন এলাকার দেশি জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করবে। ফলে দাম আরও কমবে।’