রবিবার (১২ নভেম্বর) বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ডিআইজি ফারুখ বলেন, ‘টিটু রায়কে অশিক্ষিত বলা হচ্ছে। অশিক্ষিত হলেই ফেসবুক চালানো যায় না এটা ঠিক নয়। এটা আঙুল আর আইকিউয়ের ব্যাপার।’
তবে ফেসবুক আইডির মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেওয়ার কথা বলে গুজব তৈরি করে হিন্দু পাড়ায় পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাণ্ডব চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজটি করেছে।’
ডিআইজি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেফতার করার সুযোগ পুলিশকে না দিয়ে কুচক্রীমহল যে তাণ্ডব চালিয়েছে তা কোনও অবস্থাতেই বরদাশত করা হবে না। দায়ীদের গ্রেফতার করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। হামলাসহ তাণ্ডবের সব ছবি ও ভিডিও আমাদের কাছে আছে, আমরা সেসব দেখে দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যাবস্থা নেবো।’
এর আগে তিনি কমিউনিটি পুলিশের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে দেন। এ সময় রংপুরের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে, তদন্ত কমিটির প্রধান রংপুরের এডিএম আবু রাফা মো. রাকিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সঙ্গে কথা বলে সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রাথমিকভাবে যে ফেসবুকের স্ট্যাটাস নিয়ে কথা বলা হচ্ছে, ওটা ফেক আইডি বলেই মনে হয়। তারপরেও পুরো বিষয় আমরা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করবো।’
এসময় তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।