আটকরা হলো রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক নিরঞ্জন রায় ও সিংড়ানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজয় রায়।
ওসি জানান, এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করায় ওই দুই শিক্ষককে আটক করা হয়। তবে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওসি জানিয়েছেন, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ভুষিরবন্দর এলাকার এসকে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিবন্ধন না থাকায় ওই প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা একই এলাকার সিংড়ানগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণ করে থাকে। ১২ জন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণ বাবদ টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু তাদেরকে প্রবেশপত্র দিতে টালবাহানা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) তাদেরকে জানানো হয় পরীক্ষার দিন সকালেই তাদেরকে প্রবেশপত্র দেওয়া হবে।
পরীক্ষার দিন বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকালে পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র নিতে এলে তাদের পরীক্ষা দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নিরঞ্জন রায়। এতে তারা ভেঙে পড়েন ও বিষয়টি অভিভাবকদেরকে জানান। পরে তাদের অভিভাবকসহ এলাকাবাসী প্রতিষ্ঠানে এলে সেখানে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা জানায়, তার কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণসহ অন্যান্য ফি বাবদ ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে কয়েকদিন ধরেই প্রবেশপত্র দিতে টালবাহানা করছিল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। একই কথা জানায় পরীক্ষার্থী মানস রায়। সে জানায়, সময়মতো টাকা দেওয়ার পরও এবার পরীক্ষা দিতে পারছে না। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদেরকে উপযুক্ত সাজার দাবি জানিয়েছে সে।