এর আগে শনিবার সকালে শিক্ষকরা কলেজের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন। তারা ঘোষণা দেন, ‘দুর্নীতিবাজ’ অধ্যক্ষকে অপসারণ না করা পর্যন্ত তারা অবস্থান অব্যাহত রাখবেন।
এদিকে শিক্ষকরা কর্মবিরতি শুরু করায় কলেজের কোনও বিভাগেই ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। শিক্ষকদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন। অধ্যক্ষের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তারাও ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আখতারুজ্জামান চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মিয়ার সীমাহীন দুর্নীতি আর ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রতিবাদ করায় শিক্ষকদের সঙ্গে চরম অশোভন আচরণ করেন তিনি। কথায় কথায় শিক্ষকদের গালাগাল এমনকি বদলি করারও হুমকি দেন। এমন অবস্থায় তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত শিক্ষকরা কর্মবিরতি অব্যাহত রাখবেন।’
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল লতিফের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। কোনও সরকারি কর্মকর্তা কর্মবিরতি পালন করতে পারেন না।’ ‘আমি ভীষণ ব্যস্ত আছি’ বলে মোবাইল ফোন কেটে দেন।