কুড়িগ্রাম সদর থানার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, চার জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা করা হয়। আসামিরা হলো আব্দুর রহিম রাসেল, সঞ্জয় কুমার রায় ও আব্দুল্লাহ আল ফারুক লিমন। এই মামলার আরেক আসামি মো. আবু সায়েম আনছারী পলাতক রয়েছেন। তিনি সদর উপজেলার নাজিরা ডাক্তার পাড়ার আনছার আলীর ছেলে। তিন জনের নাম উল্লেখ করে ৪১৭ পেনাল কোডে করা মামলার আসামিরা হলো হাবিবাহ সুলতানা ও সোহাগ মিয়া। এই মামলায় সনেট নামের অন্য একজন আসামি পলাতক রয়েছেন। ৪১৭/৩৪ পেনাল কোড ধারায় করা মামলার আসামিরা হলো মোসুমী বেগম ও শাহনাজ বেগম। এদের মধ্যে পলাতক দুই জন ছাড়া বাকি সাত জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, আটক আট জনের মধ্যে একজনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রাম নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত কুমার সিংহ জানান, শুক্রবার (১ জুন) নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আট জনকে আটক করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (রাজস্ব) সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪ এর লিখিত পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলায় প্রায় ২৬ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন। সদর ও উলিপুর উপজেলার ৩৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন:
নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি জালিয়াতির দায়ে ৪ জনের দণ্ড