ভূমি অফিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হাশেম আলী প্রায় ৩০ বছর ধরে উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরর্ত ছিলেন। কর্মরত অবস্থায় তিনি শহরের নয়াটোলা ডিআইবি রোড এলাকায় একটি সরকারি সম্পত্তি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বরাদ্দ নিয়ে বসবাস করতে থাকেন। কিন্তু সোমবার ভোরে ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনারের (ভূমি) ড্রাইভার নূরে আলম সিদ্দিকীসহ কয়েকজন মিলে হাসেম আলীর বরাদ্দকৃত সেই জমিতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে টিনের ঘর ও বাড়ি নির্মাণ শুরু করে। এ সময় স্থানীয়রা জমি দখলের বিষয়টি জানতে চাইলে ড্রাইভার নূরে আলম জানান, এসিল্যান্ড পরিমল কুমার সরকারের নির্দেশে ওই জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে এসিল্যান্ড পরিমল কুমার সরকার বলেন, হাসেম আলী তার পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করেন। এদিকে স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই জমির ওপর নজর দেওয়ায় আমরা তা রক্ষার জন্য টিনের ঘর তুলেছি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবকিছু ভালো জানেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বজলুর রশীদ বলেন, ওই স্থানে ভূমি সার্কেল অফিস হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। হাসেম আলীর পক্ষে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
সৈয়দপুর বিদ্যুৎ বিতরণ ও বিক্রয় কেন্দ্রের প্রকৌশলী মাহফুজ আলম জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। অভিযোগ পেলে নূর আলমের বিরদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।