ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন জাতের পেঁয়াজের উৎপাদন শুরু হওয়ায় আবারও তিন দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে। তিন দিন আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১২ টাকা থেকে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর ঘুরে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে বর্তমানে ভারত থেকে নতুন জাতের সাউথের বেলোরি ও ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজের মধ্যে নতুন ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২টাকা থেকে ১৩ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও বেলোরি জাতের প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল)বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা থেকে ১৬ টাকা কেজি দরে। তিন দিন আগে এসব জাতের পেঁয়াজ ৩ থেকে ৪ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানি প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪ টাকা থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে। তিন দিন আগে এসব জাতের পেঁয়াজ কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়াও বাজারে দেশীয় জাতের পেঁয়াজ কিছুটা কমে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সম্প্রতি ভারতের সাউথের বেলোরি, ইন্দোরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন নতুন জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এর ফলে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ আগের তুলনায় খানিকটা বাড়ার ফলে সে দেশের বাজারেই পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। এর ফলে খানিকটা কম দামে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার ফলে দেশের বাজারেও পেঁয়াজের দাম খানিকটা কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। এর ফলে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি। এ কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমছে। সেই সঙ্গে বাজারে দেশীয় জাতের পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো থাকায় ও দাম কম থাকায় বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা কিছুটা কমার কারণে পেঁয়াজের দাম কমেছে। আগে যে দেশী পেঁয়াজ ৩০ টাকা থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো। এখন তা খানিকটা কমে পাইকারি ২০ টাকা থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।